কিছু ফুটবল ক্লাব রাজনৈতিক পরিচয়ের অধিকারী হয়ে ওঠে কারণ তারা ঐতিহাসিকভাবে শ্রেণী-ভিত্তিক, ধর্ম-ভিত্তিক বা জাতীয়তাভিত্তিক সমাজের সদস্য হিসেবে গঠিত হয়েছিল এবং তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জন করা। এটি স্পষ্ট হয় যে ক্লাবগুলি সামাজিক শান্তির হাতিয়ার হিসেবে, রাজনৈতিক প্রচারের উৎস হিসেবে এবং বিক্ষোভের পথ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
ফুটবল এবং রাজনীতির মধ্যে সম্পর্কের ইতিহাস প্রায় দুই শতাব্দী পুরনো। যখন ইউরোপীয় ফুটবল চারটি মূল বৈশিষ্ট্যের সাথে আবির্ভূত হয়েছিল: আন্তর্জাতিক সম্পর্কের একটি এজেন্ট, রাজনৈতিক প্রচারের একটি উৎস, সামাজিক শান্তিতে একটি হাতিয়ার, এবং বিক্ষোভের একটি উপায়। এটি স্পষ্ট যে জোটবাদী নেতারা যেমন মুসসোলিনি এবং ফ্রাঙ্কো ফুটবলকে জাতীয় গর্ব গড়ে তোলার জন্য এবং তাদের রাজনৈতিক আন্দোলনের বৈধতা প্রতিষ্ঠার জন্য ব্যবহার করেছিলেন।
ফুটবলে রাজনৈতিক অভিব্যক্তি
রাজনৈতিক বিশ্বাসের প্রকাশ কিছু দেশে বেশি প্রচলিত, যেমন ইতালি এবং স্পেন, যেখানে ফুটবল রাজনৈতিক ধারণা এবং সাংস্কৃতিক পরিচয়ের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। এটি বার্সেলোনা ফ্যানদের কাছে দেখা যায় যারা "লিবার্তাদ" চেয়ে এবং কাতালান পতাকা ঝাঁপিয়ে তাদের রাজনৈতিক বিশ্বাস প্রকাশ করে।
রাজনীতির প্রভাব ফুটবলে
রাজনীতি ফুটবলের উপর গভীর প্রভাব ফেলেছে, অনেক ফুটবলার রাজনীতিতে কর্মজীবন শুরু করেছে। এই ধরনের উদাহরণ হল জর্জ ওয়েহ, যিনি ২০১৭ সালে লাইবেরিয়ার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন, এবং জোহানেসেন, যিনি ২০০৮ সালে ফারো দ্বীপপুঞ্জের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন।
উৎস
- [ফুটবল এবং রাজনীতি - উইকিপিডিয়া](https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%9C_%E0%A6%B8%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%9C%E0%A6%BF](https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%9C_%E0%A6%B8%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%9C%E0%A6%BF)
- পক্ষপাতিত্বহীন সমর্থকরা — ফুটবল ঐতিহ্য





