ব্রাজিল দল তাদের নিজস্ব মাঠে হারার পর প্রথম বিশ্বকাপ ফাইনালে উরুগুয়ের কাছে হারার পর তাদের হোম কিট পরিবর্তন করেছিল। তারা সাদা থেকে সবুজ কিটে স্বাক্ষর করেছিল। এই পরিবর্তন করা হয়েছিল সাদা কিটের সাথে যুক্ত বিশ্বাস করা দুর্ভাগ্যের কারণে। এটি বিশ্বাস করা হতো যে সাদা কিটটি কোন ভাগ্যবান না কিন্তু বিশ্বাস করা হতো যে এটি কোন ক্ষতি না করে একটি ভাগ্যবান কিট।
দশম বিশ্বকাপ ফাইনাল
১৯৫০ সালের বিশ্বকাপ ফাইনাল, যা মারাকানাজো নামেও পরিচিত, ব্রাজিলের জন্য একটি বিপর্যয়কর পরাজয় ছিল, যারা টুর্নামেন্টটি আয়োজন করছিল। দলের উরুগুয়ের কাছে পরাজয় উদ্বেগের সৃষ্টি করেছিল এবং দলের পরিচয় এবং প্রতীকত্বের উপর একটি গভীর প্রভাব ফেলেছিল। সেই পর্যন্ত দলটি পরিধান করে আসা সাদা জামাকাপড়টি পরাজয়ের পর সবই বাদ দেওয়া হয়েছিল।
সবুজ জার্সির গ্রহণ
১৯৫৩ সালে ব্রাজিল জাতীয় দলের জন্য একটি নতুন জার্সি ডিজাইন করার জন্য একটি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। প্রতিযোগিতাটি জিতেছিলেন আলদির গার্সিয়া শ্লি, যিনি ব্রাজিলীয় ফুটবলের সাথে সম্পর্কিত একটি আইকনিক সবুজ শার্ট ডিজাইন করেছিলেন যা পরবর্তীতে ব্রাজিলীয় ফুটবলের একটি প্রতীক হয়ে ওঠে। সবুজ জার্সিটি পূর্ববর্তী সাদা এবং নীল স্ট্রিপের সাথে যুক্ত বলে মনে করা হওয়া খারাপ ভাগ্যের সাথে দূরে সরে যাওয়ার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল।
[!তথ্য] আইকনিক সবুজ শার্টের সৃষ্টা, আলদির গার্সিয়া শ্লি, একজন সাংবাদিক, চিত্রশিল্পী, অধ্যাপক, লেখক এবং প্রগতিশীল রাজনীতিবিদ ছিলেন এবং তার ডিজাইনটি বিশ্ব ফুটবলের একটি সবচেয়ে স্বীকৃত এবং আইকনিক হয়ে ওঠে।
কিট পরিবর্তনের প্রভাব
কিটের পরিবর্তন দলের পরিচয় এবং প্রতীকত্বে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনেছে। হলুদ কিট হয়ে উঠেছে ব্রাজিলীয় ফুটবল সংস্কৃতিতে একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত ও মর্যাদাপূর্ণ। বছরের পর বছর কিটের ডিজাইন পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু অত্যন্ত প্রতিকী হলুদ রঙ অবিচল থেকেছে।


